বাংলাদেশের স্থাপত্য ভাস্কর্য

বাংলাদেশ বিষয়াবলী - সাধারণ জ্ঞান -

7.5k

বাংলাদেশের স্থাপত্য ও ভাস্কর্য মূলত মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে, যেখানে 'অপরাজেয় বাংলা', 'সাবাশ বাংলাদেশ', 'জাগ্রত চৌরঙ্গী' এবং 'শহীদ মিনার'-এর মতো আইকনিক ভাস্কর্যগুলো দেশের গৌরবময় ইতিহাস ও সংগ্রামকে ধারণ করে; এছাড়াও রয়েছে আধুনিক স্থাপত্যের নিদর্শন যেমন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও স্মৃতিসৌধ, যা শিল্পী নিতুন কুন্ডু, শামাল চৌধুরী, ও হামিদুজ্জামান খান-এর মতো ভাস্করদের হাতে সমৃদ্ধ হয়েছে।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

ভাস্কর্য (Sculpture)

  • ভাস্কর্য এক ধরনের ত্রিমাত্রিক শিল্পকলাবিশেষ। বিভিন্ন পুতুল, মাটির জিনিসপত্র ইত্যাদি ভাস্কর্যের উদাহরণ।
  • যিনি প্রস্তরাদি, কাঠ ইত্যাদি দিয়ে মূর্তি বা ভাস্কর্য নির্মাণ করেন তাকে ভাস্কর বলে।
  • মূল ভাস্কর্য নির্মাণের পূর্বে ক্ষুদ্রাকার ত্রিমাত্রিক যে মডেল তৈরি করে তাকে ম্যাকেট (maquette) বলে ।

টরাকোটা (Terracotta )

  • লাতিন শব্দ টেরাকোটা যা টেরা অর্থ মাটি আর কোটা অর্থ পোড়ানো।
  • পোড়ামাটির তৈরি সকল রকম দ্রব্য যা মানুষের ব্যবহার্য তা টেরাকোটা
  • ম্যুরাল (Mural) দেয়াল বা ছাদে অঙ্কিত শৈল্পিক চিত্রকর্ম ম্যুরাল

পটচিত্র (Scroll painting)

  • সংস্কৃত শব্দ পট শব্দের প্রকৃত অর্থ হলো কাপড় ।
  • বর্তমানে এই শব্দটি ছবি আঁকার মোটা কাপড় বা কাগজের খণ্ড ইত্যাদি অর্থে ব্যবহৃত হয় ।
  • পটের উপর আঁকা চিত্রকে পটচিত্র (Scroll painting) বলা হয় ।
  • যারা পটচিত্র অঙ্কন করেন, তাদের পটুয়া বলা হয়।
  • বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ পটুয়া শিল্পী- পটুয়া কামরুল হাসান।

(Sketch): পেন্সিলে আকা ছবিকে নির্দেশ করে।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

বাংলাদেশের বিখ্যাত স্মৃতিসৌধ ও ভাস্কর্যগুলোর মধ্যে রয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ (সাভার), যা মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়কে স্মরণ করে নির্মিত, এবং বিভিন্ন ভাস্কর্য যেমন অপরাজেয় বাংলা, জাগ্রত চৌরঙ্গী, সাবাস বাংলাদেশ, ও অদম্য বাংলা, যা মুক্তিযুদ্ধ ও সংগ্রামের চেতনাকে ধারণ করে। এছাড়া মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ, রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ এবং বীর (ভাস্কর্য) উল্লেখযোগ্য।

Content added By
  • কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ।
  • ঢাকায় নির্মিত প্রথম শহীদ মিনার- ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের হোস্টেলের সামনে যে স্থানে পুলিশ গুলি বর্ষণ করেছিল সেই স্থানে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা শহীদ মিনার নির্মাণ করেছিল।
  • শহীদ মিনারটির ডিজাইনার ছিলেন- ডা. বদরুল আলম।
  • শহীদ মিনারটি উদ্বোধন করেন শহীদ শফিউরের পিতা মৌলভী মাহবুবুর রহমান (২৪ ফেব্রুয়ারি)।
  • বর্তমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের (১৯৫৭) ডিজাইনার- হামিদুর রহমান।
  • ২০১০ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলা একাডেমির বর্ধমান হাউজের ২য় তলায় ভাষা আন্দোলনের জাদুঘর উদ্বোধন করেন।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের মুজিবনগরে প্রবাসী সরকার শপথ গ্রহন করে।
  • এই ঘটনাকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে ১৯৮৭ সালের ১৭ এপ্রিল এখানে উদ্বোধন করা হয় মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ।
  • স্মৃতিসৌধটির ডিজাইনের নকশা করেন স্থপতি- তানভীর করিম।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • ঢাকার পশ্চিমে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের পাশেই এই স্মৃতিসৌধটি অবস্থিত ।
  • ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর দেশের প্রখ্যাত সন্তানদের হত্যা করে এই স্থানে পরিত্যক্ত ইটের ভাটার পশ্চাতে ফোলে রাখা হয়েছিল।
  • এই সকল সূর্য সন্তানদের স্মরণে ইটের ভাটার আদলে এই স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়।
  • এর স্থপতি ছিলেন ফরিদ উদ্দিন আহমেদ ও জামি আল শাফি।
Content added By
  • শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত।
  • ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাক হানাদার বাহিনী নির্বিচারে এদেশের সূর্যসন্তানদের হত্যা করে গণকবর দেয়।
  • ১৯৭২ সালের ২২ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ সৌধটি উদ্বোধন করেন।
  • এর স্থপতি মোস্তফা হারুন কুদ্দুস হিলি
Content added || updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • শিখা অনির্বাণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ ।
  • ঢাকা সেনানিবাস এলাকায় এটি অবস্থিত।
  • যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সৈনিকদের স্মৃতিকে জাতির জীবনে চির উজ্জ্বল করে রাখার জন্য এই স্মৃতিস্তম্ভে সার্বক্ষণিকভাবে শিখা প্রজ্জ্বলন করে রাখা হয়।
  • শিখা চিরন্তন রাজধানী ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবস্থিত একটি স্মরণ স্থাপনা।
  • ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই স্থানটিতে দাড়িয়ে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ প্রদান করেন।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • মহান মুক্তিযুদ্ধের অসামান্য আত্মত্যাগের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য জাগ্রত চৌরঙ্গী।
  • মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় নির্মিত এটিই প্রথম ভাস্কর্য।
  • শিল্পী আব্দুর রাজ্জাক জাগ্রত চৌরঙ্গীর ভাস্কর।
  • ১৯৭৩ সালে এটি নির্মাণ করা হয়।
  • জয়দেবপুর চৌরাস্তার সড়কদ্বীপে দৃষ্টি নন্দন এই স্থাপত্যকর্মটি স্থাপন করা হয়।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • অপরাজেয় বাংলা ঢাবি কলাভবনের সামনে অবস্থিত একটি ভাস্কর্য।
  • ১৯৭৩ সালে ভাস্কর্যটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
  • ১৯৭৯ সালে এর উদ্বোধন করা হয়।
  • এটি নির্মাণ করেন মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর- সৈয়দ আবদুল্লাহ খালেদ ।
  • কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলার নারী-পুরুষের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ ও বিজয়ের প্রতীক।
  • ৬ ফুট বেদির নির্মিত এ ভাস্কর্যটির উচ্চতা ১২ ফুট।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টি.এস.সি সড়কদ্বীপে রয়েছে স্বোপার্জিত স্বাধীনতা অবস্থিত।
  • ১৯৮৮ সালের ২৫ মার্চ এ ভাস্কর্যটির উদ্বোধন করা হয়।
  • ভাস্কর্যের নির্মাতা চারুকলা ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক শামীম শিকদার।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুলার রোডের সড়ক মোড়ে স্বাধীনতা সংগ্রাম ভাস্কর্যটি নির্মিত হয়েছে।
  • এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ভাস্কর্য।
  • এ ভাস্কর্যের নির্মাতা- শামীম শিকদার।
  • ১৯৯৯ সালের ৭ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাস্কর্যটির উদ্বোধন করেন।
  • বাঙালির ইতিহাসে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা আন্দোলন পর্যন্ত সমস্ত বীরত্বকে ধারণ করে তৈরি করা হয়েছে এ ভাস্কর্য।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • জাহাঙ্গীরনগর ১৯৯০ সালের ২৬ মার্চ নির্মিত হয়েছিল- সংশপ্তক।
  • ভাস্কর- ছিলেন হামিদুজ্জামান খান।
  • অবস্থান- জাবি কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে সামনে এক পায়ে ভর করে দাঁড়ানো।
  • এ ভাস্কর্যের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত এক পা হারিয়েও রাইফেল হাতে লড়ে যাচ্ছেন দেশ মাতৃকার বীরসন্তান।
  • যুদ্ধে পরাজয় নিশ্চিত জেনেও লড়ে যান যে অকুতোভয় বীর সেই সংশপ্তক।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • শাবাশ বাংলাদেশ বাংলাদেশের স্মৃতিবিজড়িত ভাস্কর্যগুলোর মধ্যে অন্যতম।
  • এটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ভাস্কর্য ।
  • এর স্থপতি শিল্পী নিতুন কুণ্ডু।
  • এই ভাস্কর্যটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
  • ১৯৯২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি জাহানারা ইমাম ভাস্কর্যটির উদ্বোধন করেন।

Content added By
  • ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য বিজয়-৭১।
  • মহান মুক্তি সংগ্রামে বাংলার সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মূর্ত প্রতীক
  • বিখ্যাত ভাস্কর্য শিল্পী শ্যামল চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে ২০০০ সালে ভাস্কর্যটির নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হয় ।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের নাম- বিজয় কেতন।
  • এর মূল ফটকে অবস্থিত ভাস্কর্যটির নামও- বিজয় কেতন।
  • এই ভাস্কর্যে রয়েছে সাতজন মুক্তিযোদ্ধা, এদের একজন হলেন পতাকাবাহী নারী।
Content added By

বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও সংস্কৃতির ধারক হিসেবে মহাস্থানগড় (প্রাচীনতম নগরী), পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, ময়নামতি, উয়ারী-বটেশ্বর এবং বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ উল্লেখযোগ্য । এছাড়া আহসান মঞ্জিল, লালবাগ কেল্লা, পানাম নগর, kantaji Temple এবং সুন্দরবন বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ । এসব নিদর্শন প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় সভ্যতা ও সংস্কৃতির প্রমাণ বহন করে ।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • উয়ারী ও বটেশ্বর নরসিংদীর বেলাব উপজেলায় অবস্থিত দুটি পাশাপাশি গ্রাম ।
  • চার খ্রিষ্টপূর্বাব্দে মৌর্য যুগে এখানে একটি সভ্যতার যাত্রা শুরু হয়।
  • পুণ্ড্রনগরে সভ্যতা গড়ার কিছু আগে এখানে নগর সভ্যতা নির্মাণ করা হয়েছিল।
  • প্রত্নতাত্বিকগণ উয়ারী বটেশ্বরকে টলেমির ‘সৌনাগড়া' বলে উল্লেখ করেছেন।
  • এখানে প্রাপ্ত চারটি পাথরে নিদর্শন প্রস্তর যুগের বলে মনে করা হয়।
  • ২০১০ সালে আবিষ্কৃত হয় ১৪০০ বছরের প্রাচীন ইট নির্মিত বৌদ্ধ পদ্মমন্দির ।
  • ১৯৩০ সালের দিকে স্থানীয় স্কুল শিক্ষক মোহাম্মদ হানিফ পাঠান প্রথম উয়ারি বটেশ্বরকে সুধী সমাজের নজরে আনেন। ২০০০ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ববিভাগের উদ্যোগে শুরু হয় এর প্রথম খনন কাজ । খনন কাজের নেতৃত্ব দেন বিভাগের প্রধান- সুফী মোস্তাফিজুর রহমান।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • সোনারগাঁও বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি উপজেলা।
  • ঈসা খাঁর স্ত্রী সোনা বিবির নামানুসারে সোনারগাও এর নামকরণ করা হয়।
  • সোনারগাঁও এর পানাম নগরী উনিশ শতকে উচ্চবিত্ত ব্যবসায়ীদের বাসস্থান ছিল ।
  • সোনারগাঁর দর্শনীয় স্থান- সোনাবিবির মাজার, পাঁচবিবির মাজার, পাঁচপীরের মাজার, গিয়াস উদ্দিন আজম শাহের মাজার, হোসেন শাহ নির্মিত একটি সদৃশ্য মসজিদ, ঈসা খাঁর স্মৃতি বিজড়িত লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর, গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড ইত্যাদি।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে লালবাগ কেল্লা মুঘল আমলের ঐতিহাসিক নিদর্শন।
  • এটি পুরোনো ঢাকার লালবাগে অবস্থিত একটি দুর্গ।
  • এই কেল্লার পূর্ব নাম- আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
  • সম্রাট আওরঙ্গজেবের তৃতীয় পুত্র শাহজাদা মোহম্মদ আযম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ কাজ শুরু করেন। সুবেদার শায়েস্তা খাঁর আমলে এর নির্মাণ কাজ অব্যাহত থাকে। তার কন্যা পরিবিবি (প্রকৃত নাম হরান দুখত) এর মৃত্যুর পর ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন।
  • কেল্লা এলাকাতে পরিবিবির সমাধি অবস্থিত। কেল্লার উত্তর-পশ্চিমাংশে বিখ্যাত শাহী মসজিদ অবস্থিত।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • বড় কাটরা (১৬৪১) এবং ছোট কাটরা (১৬৬৩) ঢাকার চকবাজারে অবস্থিত।
  • শাহসুজার নির্দেশে আবুল কাসেম বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে এই ইমারতটি নির্মাণ করেন।
  • তিনি প্রশাসনিক কাজে ব্যবহারের জন্য নির্মাণ করেন।
  • ছোট কাটরা ঢাকার চকবাজারে অবস্থিত শায়েস্তা খাঁর আমলে তৈরি একটি ইমারত।
Content added By
  • হোসেনি দালান বা ইমাম বাড়া ঢাকা শহরের বকশিবাজারে একটি শিয়া উপাসনালয় ।
  • মুঘল সম্রাট শাহজাহানের আমলে এটি নির্মিত হয়।
  • হিজরী ১০৫২ সনে সৈয়দ মীর মুরাদ এটি নির্মাণ করেন।
Content added By
  • এটি প্রথমে ওলন্দাজ বা ডাচদের ব্যবসা কেন্দ্র ছিল।
  • অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথমে এটি নির্মিত হয় বলে ধারনা করা হয়।
  • বড়কুঠি বাংলাদেশের রাজশাহী অঞ্চলের সর্বপ্রাচীন এবং সবচেয়ে আকর্ষণীয় ইমারত।
Content added By
  • দিঘাপাতিয়া রাজবাড়ী নাটোর জেলায় অবস্থিত দিঘাপাতিয়া মহারাজাদের বাসস্থান।
  • এটি বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের উত্তরাঞ্চলীয় সচিবালয়।
  • ১৭৪৩ সালে রাজা দয়ারাম রায় এটি নির্মাণ করেন।
  • ১৯৬৭ সালে তৎকালীন গভর্নর মোনায়েম খান, বাসভবন হিসাবে উদ্বোধন করেন।
  • ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই রাজবাড়ীর নামকরণ করেন উত্তরা গণভবন।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • আহসান মঞ্জিল ঢাকার নবাবদের প্রাসাদ ছিল।
  • এটি বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ঢাকার কুমারটুলিতে অবস্থিত।
  • মুঘল আমলের জমিদার শেখ এনায়েতউল্লাহ এ প্রাসাদটি তৈরি করেন।
  • নবাব আব্দুল গণি নিজ পুত্র আহসানউল্লাহর নামানুসারে আহসান মঞ্জিল নামকরণ করেন।
  • ১৮৯৭ সালে ঢাকায় ভূমিকম্প আঘাত হানলে আহসান মঞ্জিলের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
  • ১৯০৬ সালে আহসান মঞ্জিলে অনুষ্ঠিত এক সভায় মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
  • ১৯৯২ সালে আহসান মঞ্জিলকে আহসান মঞ্জিল জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কারাগার ।
  • মুঘল আমলে সুবাদার ইব্রাহিম খান বর্তমান ঢাকার চক বাজারে একটি দুর্গ নির্মাণ করেন ।
  • ব্রিটিশ শাসনামলে (১৭৮৮ সালে) দুর্গটি কারাগারে রূপান্তর করা হয়।
  • সম্প্রতি ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের রাজেন্দ্রপুরে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তর করা হয়।
Content added By
  • কার্জন হল ঢাকার একটি ঐতিহাসিক ভবন।
  • ১৯০৪ সালে ভারতের তৎকালীন ভাইসরয় কার্জন এর ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করেন।
  • এটি নির্মিত হয় ঢাকা কলেজের পাঠাগার হিসাবে।
  • ১৯২১ সাল হতে ঢাবি বিজ্ঞান বিভাগের একটি একাডেমিক ভবনে পরিণত হয় কার্জন হল ।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সরকারী বাসভবন বঙ্গভবন।
  • বঙ্গভবন ঢাকার দিলকুশা এলাকায় অবস্থিত।
  • ১৯০৫ সালে পূর্ববঙ্গ ও আসামের সরকার এ স্থানটি কিনে প্রাসাদসম বাড়ি তৈরি করে।
  • এটি ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলে 'গভর্নর হাউস' নামে পরিচিত ছিল।
  • ১৯৭২ সালে ১২ জানুয়ারি গভর্নর হাউজের নাম পরিবর্তন করে ‘বঙ্গভবন’ করা হয়।
  • একইদিনে আবু সাঈদ চৌধুরী বাংলাদেশের প্রথম সাংবিধানিক রাষ্ট্রপতি হন এবং স্থানটিকে রাষ্ট্রপতির ভবন হিসেবে ব্যবহার শুরু করেন।
Content added By
  • কমনওয়েলথ সমাধি ২টি চট্টগ্রামে ও কুমিল্লাতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে (১৯৪১-১৯৪৫) খ্রিস্টাব্দ।
  • বার্মায় সংঘটিত যুদ্ধে ৪৫০০০ কমনওয়েলথ সৈনিক নিহত হয়।
  • তাদের স্মৃতি রক্ষার্থে তৈরি করা হয় রণ সমাধিক্ষেত্র (War cemetery) ।
  • বাংলাদেশে ২টি কমনওয়েলথ সমাধি- একটি চট্টগ্রামে এবং অপরটি কুমির ময়নামতিতে।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • তিন নেতার মাজার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (শাহবাগ থানা) এলাকায় অবস্থিত।
  • স্বাধীনতা পূর্ব বাংলার তিন বিখ্যাত নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, খাজ নাজিমুদ্দিন এবং শেরে বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হকের কবরের উপর নির্মিত ঢাকার অন্যতম গ্রিক স্থাপত্য নিদর্শন।
Content added By
  • মৌর্য ও গুপ্ত রাজধানী বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত মহাস্থানগড়।
  • বাংলার প্রাচীনতম জনপদ ছিল পুণ্ড্র বা পৌণ্ড্র।
  • পুণ্ড্র রাজ্যের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর।
  • পুণ্ড্রদের আবাসস্থলই পুণ্ড্র বা পুণ্ড্রবর্ধন নামে পরিচিত।
  • পুণ্ড্রনগরের বর্তমান নাম মহাস্থানগড়।
  • মৌর্য ও গুপ্ত রাজবংশের প্রাদেশিক রাজধানী ছিল।
  • মহাস্থানগড়ে একটি ব্রাহ্মী লিপি (বাংলার প্রাচীনতম শিলালিপি) পাওয়া গেছে।
  • সম্রাট অশোক নির্মিত বৌদ্ধ স্তম্ভ যা বেহুলার বাসর ঘর নামে পরিচিত।
  • ১৮০৮ সালে বুকানন হ্যামিল্টন সর্বপ্রথম এ বৈরাগীর ভিটা স্থানটি আবিষ্কার করেন।
  • ১৮৭৯ সালে কানিংহাম এ স্থানটিকে পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী হিসাবে সনাক্ত করেন।
  • মহাস্থানগড়ের দর্শনীয় স্থান- শাহ সুলতান বলখীর মাজার, পরশুরামের প্রাসাদ, খোদার পাথর ভিটা, বৈরাগীর ভিটা, গোবিন্দ ভিটা, লক্ষীন্দরের মেধ, কালীদহ সাগর, পদ্মাদেবীর বাসভবন ইত্যাদি।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

বাংলাদেশে অসংখ্য প্রাচীন ও ঐতিহাসিক বৌদ্ধ বিহার এবং হিন্দু মন্দির রয়েছে, যা দেশটির সমৃদ্ধ প্রত্নতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারক। এর মধ্যে নওগাঁর পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার (ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট) এবং কুমিল্লার ময়নামতির শালবন বিহার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য। এছাড়া পুঠিয়া মন্দির নগরীসহ অনেক প্রাচীন মন্দির রয়েছে।

Content added By

বাংলাদেশে হাজার বছরের পুরনো ঐতিহ্য ও স্থাপত্যশৈলী সমৃদ্ধ বহু হিন্দু মন্দির রয়েছে। ঢাকার ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির প্রধান ও প্রাচীনতম (দ্বাদশ শতাব্দী) রাষ্ট্রীয় মন্দির হিসেবে পরিচিত । এছাড়া সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ মন্দির, চট্টগ্রামের পুণ্ডরিক ধাম এবং ঢাকার রমনা কালী মন্দির অন্যতম উল্লেখযোগ্য ও প্রাচীন তীর্থস্থান।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • ঢাকেশ্বরী মন্দির ঢাকা শহরের একটি সুপ্রাচীন মন্দির।
  • পলাশী ব্যারাক এলাকার নিকটবর্তী ঢাকেশ্বরী রোডে অবস্থিত।
  • জনশ্রুতি অনুযায়ী বল্লাল সেন দ্বাদশ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করেন।
  • মন্দির অঙ্গনে প্রবেশের জন্য রয়েছে একটি সিংহদ্বার।
  • সিংহদ্বারটি নহবতখানা তোরণ নামে বিশেষ পরিচিত ।
Content added By
  • কান্তাজীউ মন্দির কান্তাজীউ মন্দির বা কান্তনগর মন্দির দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার ঢেঁপা নদীর তীরে অবস্থিত একটি প্রাচীন মন্দির।
  • তিনতলা বিশিষ্ট এ মন্দিরে নয়টি চূড়া বা রত্ন ছিল তাই এটি নবরত্ন মন্দির নামে পরিচিত।
  • মহারাজা প্রাণনাথ রায় নির্মাণ কাজ শুরু করেন এবং তাঁর পোষ্যপুত্র রামনাত ১৭৫২ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ কাজ শেষ করেন।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

বাংলাদেশে অবস্থিত বিভিন্ন প্রাচীন ও ঐতিহাসিক বৌদ্ধ বিহার বৌদ্ধধর্মের জ্ঞানচর্চা, ধ্যান এবং ভিক্ষুদের বসবাসের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এর মধ্যে নওগাঁর সোমপুর বিহার (ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট), কুমিল্লার শালবন বিহার ও আনন্দ বিহার, বগুড়ার ভাসু বিহার এবং রাঙামাটির রাজবন বিহার উল্লেখযোগ্য । এগুলি প্রাচীন বাংলার সংস্কৃতি ও স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন ।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • ধর্মপাল নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলা পাহাড়পুরে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন।
  • বিহারটির নাম ছিল সোমপুর বিহার। অষ্টম শতাব্দীতে ধর্মপাল এটি নির্মাণ করেন।
  • ভারতীয় উপমহাদেশে প্রত্নতাত্ত্বিক বৃহত্তম বৌদ্ধবিহারের নাম- সোমপুর বিহার।
  • সত্য পীরের ভিটা সোমপুর বিহারের একটি উল্লেখযোগ্য স্থান।
  • সোমপুর বিহারে বাগদাদের খলিফা হারুন-অর রশিদের আমলের রৌপ্য মুদ্রা পাওয়া গেছে
  • ১৮০৭-১৮১২ সালের মধ্যে কোনো এক সময়ে বুকানন হ্যামিল্টন পাহাড়পুর পরিদর্শন করেন। এটি ছিল পাহাড়পুরের প্রথম প্রত্নতাত্ত্বিক পরিদর্শন। সেই সূত্র ধরে ১৮৭৯ সালে কানিংহাম এই বিশালকীর্তি আবিষ্কার করেন।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • কুমিল্লার বিখ্যাত ঐতিহাসিক স্থান ময়নামতি (Moynamoti)।
  • ময়নামতির পূর্ব নাম ছিল রোহিতগিরি।
  • এলাকাটি প্রকৃতপক্ষে একটি প্রাচীন নগরী এবং বৌদ্ধ বিহারের অবশিষ্টাংশ।
  • সপ্তম-দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে এই নগরী ও বিহারগুলো নির্মিত হয়েছিল।
  • রাজা মানিকচন্দ্রের স্ত্রী রানী ময়নামতির নামানুসারে এ স্থানের নামকরণ করা হয়।
  • ময়নামতি জয়কর্মান্তবসাক নামক একটি প্রাচীন নগরীর ধ্বংসাবশেষ।
  • উল্লেখযোগ্য স্থাপনা হলো- শালবন বিহার, আনন্দ বিহার, ভোজ বিহার, লালমাই পাহাড়, কুটিলা মুড়া, ইটাখোলা মুড়া, রূপবান মুড়া, চারপত্র মুড়া, রানির বাংলো ইত্যাদি।
Content added By
  • প্রখ্যাত বৌদ্ধ ধর্মপ্রচারক ও পণ্ডিত অতীশ দীপঙ্কর জন্মস্থান প্রাচীন বিক্রমপুর বা বর্তমান মুন্সিগঞ্জ জেলার বজ্রযোগিণী গ্রামে একটি বৌদ্ধ বিহারের সন্ধান পাওয়া গেছে।
  • ইতিহাসবিদেরা এতদিন যে বিক্রমপুর বিহারের কথা বলেছেন, এটি সেই বিহার।
  • প্রাক-মধ্যযুগীয় এ স্থাপনাটি খ্রিষ্টীয় অষ্টম বা নবম শতকে নির্মিত ।
  • এই মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলার নাটেশ্বর গ্রামে আবিষ্কৃত হয় প্রাচীন বাংলার বৌদ্ধদের স্মৃতিচিহ্ন নাটেশ্বর দেওল (দেবালয়)।
  • এ দেওল বৌদ্ধদের বিহার বা বেশ কয়েকটি মন্দিরের সমষ্টি বলে ধারণা করা হয় ।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • কুমিল্লার ময়নামতিতে খননকৃত সব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে শালবন বিহার অন্যতম প্রধান। বি
  • হারটির আশপাশে এক সময় শাল-গজারির ঘন বন ছিল বলে এ বিহারটির নামকরণ হয়েছিল শালবন বিহার।
  • এর সন্নিহিত গ্রামটির নাম শালবনপুর।
  • শালবন বিহারের ছয়টি নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণ পর্বের কথা জানা যায়।
  • চতুর্থ ও পঞ্চম পর্যায়ের নির্মাণকাজ ও সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয় নবম-দশম শতাব্দীতে।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • আনন্দবিহার বাংলাদেশের অন্যতম সমৃদ্ধ ও প্রাচীন একটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন।
  • এটি কুমিল্লা জেলার সদর উপজেলার অন্তর্গত কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত। এই অঞ্চলটি প্রসিদ্ধ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান ময়নামতীর অন্তর্ভুক্ত।
  • ময়নামতীতে আবিষ্কৃত প্রাচীন সৌধমালার মধ্যে আনন্দবিহার বৃহত্তম।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

সীতাকোট বিহার বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত একটি বৌদ্ধ বিহার ।

Content added By

বাংলাদেশের প্রাচীন ও বিখ্যাত মসজিদগুলোর মধ্যে বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ , ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ), রাজশাহীর বাঘা মসজিদ , টাঙ্গাইলের আতিয়া মসজিদ , এবং মুন্সীগঞ্জের বাবা আদম মসজিদ অন্যতম। এই মসজিদগুলো মূলত সুলতানি ও মোঘল আমলের স্থাপত্যশৈলী, টেরাকোটা অলংকরণ এবং ঐতিহ্যবাহী গম্বুজ ও খিলানরীতির উজ্জ্বল নিদর্শন।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • বিনত বিবির মসজিদ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৪৫৭ সালে।
  • প্রাক-মুঘল আমলে নির্মিত ঢাকা শহরের প্রাচীনতম মসজিদ ।
  • সুলতান নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহের আমলে মুসাম্মত বখত বিনত বিবি নির্মাণ করেন।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • ছট সোনা মসজিদ ১৪৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানায় অবস্থিত।
  • সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহের আমলে নির্মিত ।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • কুসুম্বস মসজিদ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৫৫৮ সালে।
  • নওগাঁ জেলার মান্দা থানার কুসুম্বা গ্রামের একটি প্রাচীন মসজিদ।
  • শুর বংশের শাসক গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহের আমলে তৈরী।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • সাত গম্বুজ মসজিদ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৬৮০ সালে।
  • সাতগম্বুজ ঢাকার জাফরাবাদ এলাকায় অবস্থিত।
  • মসজিদে চারটি মিনার ও তিনটি গম্বুজে মিলে সাত, তাই নামকরণ সাত গম্বুজ।
  • মসজিদ মুঘল সুবেদার শায়েস্তা খাঁর আমলে তার পুত্র উমিদ খাঁ নির্মাণ করে।
Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত রোডে অবস্থিত।
  • ১৮ শতকের শেষের দিকে নির্মিত হয়।
  • মীর্জা গোলাম পীর (অন্য নাম মীর্জা আহমদ জান) এটি নির্মাণ করেন।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • বায়তুল প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬০ সালে।
  • ঢাকার গুলিস্তানে অবস্থিত।
  • বাংলাদেশের জাতীয় এবং বৃহত্তম মসজিদ।
  • মসজিদটির স্থপতি আবুল হোসেন মোহাম্মদ থারিয়ানী।
Content added By
  • প্রতিষ্ঠিত হয় ১৭০৩ সালে।
  • ঢাকার লালবাগ কেল্লার সন্নিহিত স্থানে অবস্থিত মুঘল আমলের একটি মসজিদ।
  • ফখরুখশিয়রের পৃষ্ঠপোষকতায় মসজিদটি নির্মিত হয়।
Content added By

বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনে সমৃদ্ধ একটি দেশ। সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বিভিন্ন যুগের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন যা আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সাক্ষী বহন করে। বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সমূহের মাঝে রয়েছে বিভিন্ন প্রাচীন স্থাপত্য যেমন- মসজিদ , মন্দির , দীঘি ; বিভিন্ন প্রত্নবস্তু যেমন- পাথরের মূর্তি , মুদ্রা , অস্ত্র , মৃৎশিল্প ; বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান যেমন- মহাস্থানগড় , ময়নামতি , সোনারগাঁও ,পাহাড়পুর , বিভিন্ন বিহার , বানৌঘা , নবগ্রাম , উয়ারি বটেশ্বর ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য । বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অমূল্য সম্পদ। এগুলো সংরক্ষণ করা আমাদের সকলের কর্তব্য।

বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান সমূহ

বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানে সমৃদ্ধ একটি দেশ। সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বিভিন্ন যুগের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান যা আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সাক্ষী বহন করে। কিছু উল্লেখযোগ্য প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান সমূহ নিম্নরুপ:

উয়ারি বটেশ্বর

উয়ারি বটেশ্বর বাংলাদেশে প্রাচীন জনপদের একটি নিদর্শন।উয়ারি বটেশ্বর নরসিংদীর বেলাব উপজেলায় অবস্থিত একটি প্রত্নতাত্বিক স্থান। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন এবং সর্বশেষ আবিষ্কৃত প্রত্নতত্বস্থান। এটি মাটির নিচে একটি দূর্গ নগরী। উয়ারির বসতিকে খ্রিস্টপূর্ব ৪৫০ অব্দের বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। প্রত্নতাত্বিকদের অনেকেই উয়ারি বটেশ্বরকে টলেমির 'সৌনাগড়া' বলে উল্লেখ করে থাকেন। এখানে প্রাপ্ত চারটি পাথরে নিদর্শন প্রস্তর যুগের বলে মনে করা হয়। ২০১০ সালে এখানে আবিষ্কৃত হয়েছে ১৪০০ বছরের প্রাচীন প্রাচীন ইট নির্মিত বৌদ্ধ পদ্মমন্দির । ১৯৩০ সালের দিকে স্থানীয় স্কুল শিক্ষক জনাব মোহাম্মদ হানিফ পাঠান প্রথম উয়ারি বাটেশ্বরকে সুধী সমাজের নজরে আনেন। ২০০০ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ববিভাগের উদ্যোগে শুরু হয় এর প্রথম খনন কাজ। খনন কাজের নেতৃত্ব দেন বিভাগের প্রধান সুফী মোস্তাফিজুর রহমান।

মহাস্থানগড়

বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত মহাস্থানগড় বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি। বাংলার প্রাচীনতম জনপদ ছিল পুণ্ড্র বা পৌণ্ড্র পুন্ডদের আবাসস্থলই পুণ্ড্র বা পুণ্ড্রবর্ধন নামে পরিচিত। এই পুণ্ড্র রাজ্যের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর। আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দীতে এই নগর গড়ে উঠেছিল। পুণ্ড্রনগরের বর্তমান নাম মহাস্থানগড়। এটি প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনের ধ্বংসাবশেষ এবং মৌর্য ও গুপ্ত রাজবংশের পুরাকীর্তির জন্য বিখ্যাত। কথিত আছে, এখানে পরশুরামের সাথে ফকির বেশী আধ্যাত্মিক শক্তির অধিকারী হযরত শাহ সুলতান মাহমুদ বলখী (র.) এর যুদ্ধ হয়। (১২০৫-১২২০) যুদ্ধে পরশুরাম পরাজিত ও নিহত হন। শাহ সুলতান বলখী (র.) এ অঞ্চলে ইসলামের পতাকা উড্ডীন করেন। গড়ের পূর্ব পার্শ্বে রয়েছে করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত শীলাদেবীর ঘাট। এখানে রয়েছে সম্রাট অশোক নির্মিত বৌদ্ধ স্তম্ভ যা বেহুলার বাসর ঘর নামে পরিচিত। মহাস্থানগড়ের দর্শনীয় স্থান শাহ সুলতান বলখীর মাজার, পরশুরামের প্রাসাদ, খোদার পাথর ভিটা, বৈরাগীর ভিটা, গোবিন্দ ভিটা, লক্ষ্মীন্দরের মেধ, কালীদহ সাগর, পদ্মাদেবীর বাসভবন ইত্যাদি। ১৮০৮ সালে বুকানন হ্যামিল্টন সর্বপ্রথম এ স্থানটি আবিষ্কার করেন। ১৮৮৯ সালে আলেকজান্ডার কানিংহাম স্থানটিকে প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী হিসাবে সনাক্ত করেন। ২০১৬-২০১৭ সালের জন্য সার্ক সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে মহাস্থানগড়কে ঘোষণা হয়েছিলো। সাত লাইন বিশিষ্ট বাংলার প্রাচীনতম লিপিতাত্ত্বিক দলিল 'ব্রাহ্মী লিপি' বগুড়ার মহাস্থানগড়ে পাওয়া গেছে।

সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে চূড়ান্ত স্বীকৃতি লাভ করে বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদ বহুড়ার মহাস্থানগড়। ২৪ নভেম্বর ২০১৬ সার্ক কালচারাল সেন্টার এ ঘোষণা চূড়ান্ত করে। ২১ জানুয়ারি ২০১৭ থেকে এ ঘোষণা কার্যকর হবে। নানা তথ্য-উপাত্ত, ইতিহাস-ঐতিহ্য বিশ্লেষণ করে কুমিল্লার ময়নামতি অঞ্চল ও কুষ্টিয়ার শিলাইদহকে পাশে রেখে বেছে নেয়া হয়। বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত আড়াই হাজার বছরের ইতিহাস সমৃদ্ধ মহাস্থানগড়। বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি। প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের রাজধানী মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রনগর। মৌর্য, গুপ্ত, পাল, শশাঙ্ক, হর্ষবর্ধন, যশোবর্ষন, মদন, সেনরাজসহ অন্তত ১৬টি কালের নিদর্শন মেলে মহাস্থানগড় ও তার আশপাশে। ১৮৭৯ সালে প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের ঐতিহাসিক নিদর্শন আবিষ্কার করেন ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ আলেকজান্ডার কানিংহ্যাম।

মহাস্থানগড়ের আশেপাশে রয়েছে আরো অনেক ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা। এর মধ্যে 'বেহুলার বাসরঘর' নামে অধিক পরিচিত গোকূল মেঘ, ভাসুবিহার, যোগীর ভবন, ভীমের জাঙ্গাল, গোবিন্দভিটা, বৈরাগীর ভিটা, খোদার পাথর ভিটা, শাহ সুলতান বলখী (রহ:) মাজার, শীলাদেবীর ঘাট, শেরপুরের খেরুয়া মসজিদ, নবাববাড়ী (সাবেক নীলকুঠি) অন্যতম।

  • বৈরাগীর ভিটা: বগুড়ার মহাস্থান
  • বৈরাগীর চাল : গাজীপুরের শ্রীপুরে

ময়নামতি

'ময়নামতি' কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত ঐতিহাসিক স্থান। এ এলাকাটি প্রকৃতপক্ষে একটি প্রাচীন নগরী এবং বৌদ্ধ বিহারের অবশিষ্টাংশ। ৭ম-দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে এই নগরী ও বিহারগুলো নির্মিত হয়েছিল। রাজা মানিকচন্দ্রের স্ত্রী রানী ময়নামতির নামানুসারে এ স্থানের নামকরণ করা হয়। প্রত্নতাত্বিকদের মতে, ইহা জয়কর্মান্তবসাক নামক একটি প্রাচীন নগরীর ধ্বংসাবশেষ। এখানকার উল্লেখযোগ্য স্থাপনা হল- শালবনবিহার, লালমাই পাহাড়, কুটিলা মুড়া, ইটাখোলা মুড়া, রূপবান মুড়া, চারপত্র মুড়া ইত্যাদি।

ওয়ার সেমেট্রি: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ব্রিটিশ ও ভারতীয় সৈন্যদের কবরস্থান। এটি ১৯৪৩-১৯৪৪ সালে তৈরি হয়েছে। এই সমাধিক্ষেত্রটি Commonwealth War Graves Commission (CWGC) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ও তারাই এই সমাধিক্ষেত্র পরিচালনা করেন। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে দুটি ওয়ার সিমেট্রি রয়েছেঃ ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি এবং চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি।

নোয়াপাড়া ঈষাণচন্দ্রনগর : কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার অন্যতম বৃহৎ অনাবিষ্কৃত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। ধ্বংসাশেষের বেশির ভাগ এলাকা বৌদ্ধ আমলের। পণ্ডিতগণ মনে করেন এই নিদর্শনগুলো হারিয়ে যাওয়া নগরী কর্মান্ত ভাসাকর যা ৭ শতকে সমতটের রাজধানী খাদগা।

সোনারগাঁও

বারভূইয়াদের নেতা ঈসা খাঁ সোনারগাঁয় বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন। এ সময় দিল্লীর ক্ষমতায় ছিলেন সম্রাট আকবর। সোনারগাঁও বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি উপজেলা। সোনারগাঁর পূর্বে মেঘনা, পশ্চিমে শীতলক্ষ্যা, দক্ষিণে ধলেশ্বরী এবং উত্তরে ব্রহ্মপুত্র নদ দ্বারা বেষ্টিত একটি বিস্তৃত জনপদ ছিল। এর পূর্ব নাম 'সুবর্ণগ্রাম'। ঈসা খাঁর স্ত্রী সোনা বিবির নামানুসারে সোনারগাঁও এর নামকরণ করা হয়।

  • সোনারগাঁর দর্শনীয় স্থান : সোনা বিবির মাজার, পাঁচবিবির মাজার, পঞ্চম পীরের মাজার, গিয়াস উদ্দিন আজম শাহের মাজার, হোসেন শাহ নির্মিত একটি সদৃশ্য মসজিদ, ঈসা খাঁর স্মৃতি বিজড়িত লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর, গ্রান্ড-ট্রাঙ্ক রোড ইত্যাদি।
  • পানাম নগর: এই এলাকাটি ১৯ শতকে সোনারগাঁয়ের উচ্চবিত্ত ব্যবসায়ীদের বাসস্থান ছিল। বড় নগর, খাস নগর, পানামা নগর প্রাচীন সোনারগাঁর এই তিন নগরের মধ্যে পানামা ছিলো সবচেয়ে আকর্ষণীয়। এখানে কয়েক শতাব্দী পুরনো অনেক ভবন রয়েছে, যা বাংলার বার ভূইয়াদের ইতিহাসের সাথে সম্পর্কিত। সোনারগাঁর ২০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে এই নগরী গড়ে ওঠে।
  • বাংলাদেশের লোকশিল্পের অতীত কীর্তিসমূহ নকশী কাঁথা, মাটির পাত্র, বেতন, কাঁসা, মসলিন বস্ত্র, তৈজসপত্র ইত্যাদি সংরক্ষণের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে লোকশিল্প জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে। ১৯৯৬ সালের ৬ অক্টোবর সোনারগাঁও লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের নাম পরিবর্তন করে 'শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন' জাদুঘর করা হয়েছে।

হরিপুর জমিদার বাড়ি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পঞ্চম সংরক্ষিত পুরাকীর্তি নাছিরনগর উপজেলার তিতাস নদীর পূর্বপ্রান্তে অবস্থিত হরিপুর জমিদার বাড়ি। প্রাচীন জমিদার বাড়িটির ঐতিহাসিক নিদর্শন বিবেচনা করে সম্প্রতি প্রত্নতত্ত্ব হিসেবে ঘোষণা করে। জেলার অন্য চারটি সংরক্ষিত পুরাকীর্তি- উলচাপড়া মসজিদ, সদর; আড়িয়াইল মসজিদ ও আড়িফাইল মাজার (জোড়া কবর), সরাইল এবং বাড়ি উড়া প্রাচীন পুল, সরাইল। নাছিরনগর উপজেলা সদর হতে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে হরিপুর ইউনিয়নের হরিণবেড় গ্রামে অবস্থিত হরিপুর জমিদার বাড়িটি প্রায় ১৭৫ বছর আগে জমিদার গৌরী প্রসাদ রায় চৌধুরী ও কৃষ্ণপ্রসাদ রায় চৌধুরী নির্মাণ করেন।

বাংলা ১৩৪৩ সনের ১২ চৈত্র কৃষ্ণ প্রসাদ রায় চৌধুরীর মৃত্যুর পর পর্যায়ক্রমে বাড়িটির উত্তরাধিকার হন হরিপদ রায় চৌধুরী ও শান্তি রায় চৌধুরী। তাদের কাছ থেকে বাড়ির মালিকানা ও জমিদারি আসে উপেন্দ্র রায় চৌধুরী ও হরেন্দ্র রায় চৌধুরীর কাছে। কালক্রমে ১৯৪৭ সালে দেশ বিভক্ত হওয়ার পর জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হলে তারা বাড়িটি ফেলে কলকাতায় চলে যান।

বগুড়ার নবাববাড়ি

১২ মে ২০১৬ বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী নবাববাড়িকে সংরক্ষিত প্রত্নসম্পদ হিসেবে ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে সরকার। ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব থাকায় ১৯৬৮ সালের পুরাকীর্তি আইনের ১০ নম্বর ধারা (১) উপধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার এ নবাববাড়িকে সংরক্ষিত প্রত্নসম্পদ হিসেবে ঘোষণা করে।

বগুড়া শহরের সূত্রপুর মৌজায় প্রায় ১০ বিঘা জমির ওপর ১৮৮৪ সালে নির্মাণ করা হয়েছিল ঐতিহ্যবাহী এ নবাববাড়ি। এরপর ১৮৯৪ সালে বগুড়ার জমিদার আবদুস সোবহান চৌধুরী নীলকরদের কাছ থেকে এ বাড়িটি কিনে নেন। পরিবারের সদস্য হিসেবে ১৯৫৩ সালে নিযুক্ত পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রি মোহাম্মদ আলী চৌধুরীও দীর্ঘদিন এ বাড়িতে ছিলেন। মরহুম মোহাম্মদ আলী ও তার স্ত্রীসহ পরিবারের অনেক সদস্যের কবর রয়েছে এখানে। স্বাধীনতার পর কয়েক দশক পরিত্যক্ত থাকলেও নবাব পরিবারের উত্তরসূরিরা ১৯৯৮ সালে 'মোহাম্মদ আলী মিউজিয়াম' নামে বাড়িটিকে ঘিরে বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তোলেন।।

গাজীপুরের কালিয়াকৈর প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বড়বাড়ি মঠেরচালা এলাকায় গত দুই বছর ধরে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন ও গবেষণার কাজ চলে। এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে ১০ এপ্রিল, ২০১৫ পাল আমলের প্রাচীন স্থাপনার ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয় স্থাপনাটি হাজার বছর আগের পাল আমলের ধর্মীয় কোনো প্রার্থনার স্থান ছিল।

বালিয়াটি জমিদার বাড়ি

'বালিয়াটি জমিদার বাড়ি' মানিকগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। এটি ১৯ শতকে নির্মিত অন্যতম প্রাসাদ। মানিকগঞ্জের ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান হলো একচালা দুর্গ শিবালয়, মত্তের মাঠ, আনন্দময়ী কালিবাড়ী, তেওতা জমিদার বাড়ি, ধানকোড়া জমিদার বাড়ি, দশচিড়া বৌদ্ধবিহার ও স্তুপ, নবরত্ন মাঠ ইত্যাদি।

বাংলাদেশে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি: দেশে বর্তমানে সংরক্ষিত পুরাকীর্তির সংখ্যা ৪৫৪টি। এর মধ্যে সর্বাধিক ৫৪টি সংরক্ষিত পুরাকীর্তি রয়েছে। বগুড়া জেলায়। আর বগুড়ার মধ্যে সর্বাধিক ৪২টি সংরক্ষিত পুরাকীর্তি রয়েছে শিবগঞ্জ উপজেলায়।বিভাগওয়ারী পুরাকীর্তি:

  • ঢাকা-১০৫
  • চট্টগ্রাম -৫০
  • সিলেট -১৩
  • খুলনা -৮১
  • বরিশাল -২০
  • রাজশাহী-১৩৫
  • রংপুর -৫০
  • বানৌঘা: রাজশাহী জেলার বাঘা উপজেলায় অবস্থিত।
  • নবগ্রাম: নওগাঁ জেলার ধামুরহাট উপজেলায় অবস্থিত।

প্রাচীন মসজিদ সমূহ

  • যাট গম্বুজ মসজিদ : বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন মসজিদ। ১৫শ শতাব্দীতে পীর খান জাহান আলী এটি নির্মাণ করেন। ষাট গম্বুজ মসজিদে ৮১টি গম্বুজ রয়েছে (সাত লাইনে ১১টি করে ৭৭টি এবং চার কোনায় ৪টি মোট ৮১টি।)। এটি জাতিসংঘের ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্বসভ্যতার নিদর্শন হিসেবে (World Heritage) স্বীকৃত হয়েছে ১৯৮৩ সালে।
  • সাত গম্বুজ মসজিদ : সুবাদার শায়েস্তা খানের পুত্র উমিদ খাঁ সাত গম্বুজ মসজিদটি নির্মাণ করেন। ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত এই মসজিদ সপ্তদশ শতাব্দীতে (১৬৮০) নির্মিত হয়। শায়েস্তা খান চক মসজিদের নির্মাতা (১৬৭৫)। গম্বুজের সংখ্যা ৭টি।
  • নয় গম্বুজ মসজিদ : নয় গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাট জেলার সদর উপজেলায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা।
  • বিনতি বিবির মসজিদ : বিনতি বিবির মসজিদ প্রাক-মুঘল আমলে নির্মিত ঢাকা শহরের প্রাচীনতম মসজিদ। নারিন্দা পুলের উত্তর দিকে অবস্থিত এই মসজিদটি ১৪৫৭ খ্রিস্টাব্দে সুলতান নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহের শাসনামলে মারহামাতের কন্যা মুসাম্মত বখত বিনত বিবি এটি নির্মাণ করেন।
  • মুসা খান মসজিদ : ঢাকা শহরের প্রাকমুঘল আমলের একটি মসজিদ। এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের নিকটে কার্জন হলের পিছনে অবস্থিত। ঈসা খাঁর পুত্র মুসা খাঁ এটি নির্মাণ করেন।
  • দারাসবাড়ি মসজিদ : চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম সুপ্রাচীন মসজিদ। ধারণা করা হয়, ১৪৭৯ খ্রিস্টাব্দে শামসুদ্দিন আবুল মোজাফফর ইউসুফ শাহের আমলে এ মসজিদ নির্মিত হয়েছিল।
  • রাজবিবি মসজিদ : চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। ১৪৮০ খ্রিস্টাব্দে এই মসজিদটি নির্মিত হয়।
  • ছোট সোনা মসজিদ : চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানায় অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন মসজিদ। সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহের আমলে (১৪৯৩-১৫১৯ খ্রি) ওয়ালী মোহাম্মদ নামক এক ব্যক্তি মসজিদটি নির্মাণ করেন।
  • চামচিকা মসজিদ : চাপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ। ১৪৫০-১৫১৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে এটি নির্মিত হয়।
  • বাঘা মসজিদ : রাজশাহী জেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত মসজিদ। ১৫২৩ সালে সুলতান নুসরত শাহ এটি নির্মাণ করেন। ৫০ টাকার নোটে এই মসজিদের ছবি আছে।
  • আশরাফপুর মসজিদ : নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ। সুলতান নুসরত শাহের রাজত্বকালে ১৫২৪ খ্রিস্টাব্দে দিলওয়ার খান এটি নির্মাণ করেন।
  • আওলাদ হোসেন লেনের মসজিদ : মুঘল আমলে নির্মিত ঢাকা শহরের প্রাচীনতম মসজিদ। সুবেদার ইসলাম খান এটি নির্মাণ করেন।
  • গোয়ালদিহির গায়েবী মসজিদ : সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ। সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহের আমলে মোল্লা হিজাবর খান ১৫১৯ খ্রিস্টাব্দে এটি নির্মাণ করেন।
  • কুসুম্বা মসজিদ : নওগাঁ জেলার মান্দা থানার কুসুম্বা গ্রামের একটি প্রাচীন মসজিদ। শুর বংশের শাসক গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহের আমলে সুলাইমান নামের এক ব্যক্তি ১৫৫৮-১৫৫৯ খ্রিস্টাব্দে মসজিদটি নির্মাণ করেন।
  • চকবাজার শাহী মসজিদ : ঢাকা শহরের চকবাজারে অবস্থিত একটি মোঘল আমলের মসজিদ। মুঘল সুবেদার শায়েস্তা খান ১৬৭৬ খ্রিস্টাব্দে এটি নির্মাণ করেন।
  • হাজী শাহবাজের মসজিদ : ঢাকার রমনা এলাকায় অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ। মুঘল সুবেদার শাহজাদা আযমের শাসনামলে ১৬৭৯ খ্রিস্টাব্দে হাজী শাহবাজ কর্তৃক মসজিদটি নির্মিত হয়।
  • সাত গম্বুজ মসজিদ : সাতগম্বুজ ঢাকার জাফরাবাদ এলাকায় অবস্থিত। মসজিদে চারটি মিনার + তিনটি গম্বুজ = মোট সাত, এই কারণে মসজিদের নাম হয়েছে 'সাত গম্বুজ মসজিদ'। ১৬৮০ সালে মুঘল সুবেদার শায়েস্তা খাঁর আমলে তাঁর পুত্র উমিদ খাঁ মসজিদটি নির্মাণ করেন।
  • লালদীঘি শাহী মসজিদ : রংপুর জেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
  • বেগমবাজার মসজিদ : পুরনো ঢাকার বেগম বাজারে অবস্থিত একটি মসজিদ। ১৭০০-১৭০৪ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে এটি নির্মিত হয়।
  • লালবাগ শাহী মসজিদ : ঢাকার লালবাগ কেল্লার সন্নিহিত স্থানে অবস্থিত মুঘল আমলের একটি মসজিদ। ১৭০৩ খ্রিস্টাব্দে ফখরুখশিয়রের পৃষ্ঠপোষকতায় মসজিদটি নির্মিত হয়।
  • খান মহম্মদ মির্ধার মসজিদ : পুরান ঢাকার আতশখানায় অবস্থিত মুঘল আমলের একটি প্রাচীন মসজিদ। ১৭০৬ খ্রিস্টাব্দে খান মহম্মদ মির্ধা এটি নির্মাণ করেন।
  • ওয়ালী খানের মসজিদ : চট্টগ্রাম জেলার চকবাজারে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ। মুঘল ফৌজদার ওয়ালী বেগ খান ১৭১৩ থেকে ১৭১৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে মসজিদটি নির্মাণ করেন।
  • বাজরা শাহী মসজিদ : নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার বাজরা ইউনিয়নে দিল্লীর শাহী মসজিদের অনুকরণে নির্মিত বাজরা শাহী মসজিদ মুঘল সাম্রাজ্যের স্মৃতি বহন করে। মুঘল সম্রাট মুহম্মদ শাহের আমলে ১৭৩২ সালে জমিদার আমানউল্লাহ কর্তৃক নির্মিত হয়।
  • তারা মসজিদ : তারা মসজিদ পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত রোডে অবস্থিত। এটি নির্মিত হয় ১৮ শতকের শেষের দিকে। মীর্জা গোলাম পীর (অন্য নাম মীর্জা আহমদ জান) এটি নির্মাণ করেন। ১৯২৬ সালে আলী জান ব্যাপারি মসজিদটি সংস্কার করেন।
  • নয়াবাদ মসজিদ : নয়াবাদ মসজিদ বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত। মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের আলমে ১৭৯৩ সালে এটি নির্মিত হয়।
  • হিন্দা কসবা শাহী জামে মসজিদ : জয়পুরহাট জেলায় একটি বিখ্যাত মসজিদ। পীর হযরত আবদুল গফুর চিশতীর (রহ) নির্দেশে ১৩৬৫ বঙ্গাব্দে মওলানা আবদুল খালেক চিশতী এটি নির্মাণ করেন।
  • আতিয়া জামে মসজিদ : টাঙ্গাইল জেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত মসজিদ। ১০ টাকার নোটে এ মসজিদের ছবি আছে।
  • বায়তুল মোকাররম : ঢাকার গুলিস্তানে অবস্থিত বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ। ১৯৬০ সালে নির্মিত এই মসজিদটি বর্তমানে বিশ্বের দশম বৃহত্তম মসজিদ। মসজিদটির স্থপতি হলেন আবুল হোসেন মোহাম্মদ থারিয়ানী।
  • বায়তুল ফালাহ : চট্টগ্রামের বৃহত্তম মসজিদ।
  • বাবা আদমের মসজিদ : ঢাকা জেলায় রামপালে "বাবা আদমের মসজিদ" অবস্থিত। ১৪৩৪ খ্রিস্টাব্দে মালিক কাফুর শাহের রাজত্বকালে নির্মিত হয়।
  • প্রথম বৈদ্যুতিক স্বয়ংক্রিয় গম্বুজের মসজিদ : ময়মনসিংহ নগরীর চরখরিচা গ্রামে নির্মিত হয়েছে দেশের প্রথম বৈদ্যুতিক স্বয়ংক্রিয় গম্বুজের মসজিদ। ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত মনোরম, দৃষ্টিনন্দন এ মসজিদের নাম রাখা হয় 'মদিনা মসজিদ'। ৩ মার্চ ২০১৭ প্রথম জুম্মার নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে শুভ উদ্বোধন করা হয় এ মসজিদটি। মসজিদের পাঁচটি গম্বুজ রয়েছে। চারটি স্থির এবং একটি বৈদ্যুতিক গম্বুজ। সুউচ্চ মিনার রয়েছে দুটি, যার উচ্চতা চারতলার উপর থেকে ১৬০ ফুট। মসজিদটির পুরো কাজ হয়েছে মারবেল পাথরে এবং কাঠ আনা হয়েছে মিয়ানমার থেকে। মসজিদটি নির্মান শুরু হয় ২০১১ সালে এবং এটি ৪ তলা বিশিষ্ট ১৯,৭০৬ কর্গফুট।

প্রাচীন মন্দির সমূহ

  • ঢাকেশ্বরী মন্দির : ঢাকার শহরের পলাশী ব্যারাক এলাকায় অবস্থিত একটি সুপ্রাচীন মন্দির। ধারণা করা হয় সেন বংশের রাজা বল্লাল সেন দ্বাদশ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করেন। ঢাকেশ্বরী মন্দিরের পূর্ব-পশ্চিমে চারটি মন্দির রয়েছে যা অনেকটা বৌদ্ধ মঠের মত।
  • কান্তজীর মন্দির : কান্তাজীউ মন্দির বা কান্তাজির মন্দির বা কান্তনগর মন্দির দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার ঢেঁপা নদীর তীরে অবস্থিত একটি প্রাচীন মন্দির। এটি নবরত্ন মন্দির নামেও পরিচিত কারণ তিনতলা বিশিষ্ট এ মন্দিরে নয়টি চূড়া বা রত্ন ছিল। কান্তজী মন্দিরগাত্রের রিলিফ ভাস্কর্যগুলো রচিত হয়েছে পোড়ামাটির ফলকে। মহারাজা প্রাণনাথ রায় এর নির্মাণ কাজ শুরু করেন। তাঁর পোষ্যপুত্র রামনাথ ১৭৫২ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ কাজ শেষ করেন।
  • সোনারং জোড়া মঠ : বাংলাদেশের অষ্টাদশ শতাব্দীর একটি প্রত্নতত্ব নিদর্শন। এটি মুন্সিগঞ্জ জেলার টুঙ্গিবাড়ী উপজেলায় অবস্থিত। রূপচন্দ্র নামক একজন হিন্দু ব্যক্তি এটি নির্মাণ করেন।
  • বেল আমলা বড় শিবালয় : বারো শিবালয় মন্দিরের অবস্থান জয়পুরহাটের বেল আমলা গ্রামে। সেন রাজা বল্লাল সেন এটি নির্মাণ করেন।
  • বড় শিব মন্দির : বড় শিব মন্দির পুঠিয়া রাজবাড়ির ৬টি মন্দিরের একটি। বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা। এর উচ্চতা ৩৫ মিটার। ভুবনময়ী দেবীর নামানুসারে একে ভুবনেশ্বর মন্দিরও বলা হয়।
  • কালভৈরব মন্দির : কালভৈরব মন্দির বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত অন্যতম ঐতিহাসিক এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। মূলত এটি শ্রী শ্রী কালভৈরব মূর্তি। মূর্তিটির উচ্চতা ২৮ ফুট।
  • জগন্নাথ মন্দির : পাবনা
  • বিশ্বনাথ মন্দির : ময়মনসিংহ
  • গুরুদুয়ারা নানকশাহী : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে অবস্থিত।
  • রাঘুনাথ মন্দির : শেরপুর
  • ধামরাই জগন্নাথ রথ : ধামরাই, ঢাকা
  • রামু মন্দির : কক্সবাজার
  • পুঠিয়া মন্দির : রাজশাহী
  • রাজা কংস নারায়ণের মন্দির : তাহিরপুর, রাজশাহী
  • বড় কালিবাড়ি মন্দির : রাজশাহী
  • আদিনাথ মন্দির : মহেশখালী
  • কানকির মন্দির : নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলায় অবস্থিত।
  • রামনা কালী মন্দির : ঢাকা শহরের রমনা পার্ক এলাকায় অবস্থিত।

প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার

বৌদ্ধ বিহার

অবস্থান

জ্ঞাতব্য

সোমপুর বিহারপাহাড়পুর, নওগাঁ

নির্মাতা: পাল রাজা ধর্মপাল (অষ্টম শতক)

শালবন বিহারময়নামতি, কুমিল্লা

নির্মাতা: দেবরাজা ভবদেব (অষ্টম শতক)

আনন্দ বিহারময়নামতি, কুমিল্লা

নির্মাতা: দেবরাজা আনন্দদেব (অষ্টম শতক)

মহামুণি বিহাররাউজান, চট্টগ্রাম 
সীতাকোট বিহারনবাবগঞ্জ, দিনাজপুরখ্রিস্টীয় পঞ্চম বা ষষ্ঠ শতকে নির্মিত হয়। সীতাকোট বিহার বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
রাজবন বৌদ্ধবিহারকাপ্তাই, রাঙামাটি 
জগদ্দল বিহারধামুইরহাট, নওগাঁ

নির্মাতা: রাজা রামপাল

হলুদ বিহারনওগাঁ 
ভাসু বা বসু বিহারমহাস্থানগড়, বগুড়াএটি একটি সংঘারামের ধ্বংসাবশেষ।
নালন্দা বিহার আচার্য ছিলেন - মহাস্থবীর শিলভদ্র
প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার

সোমপুর বিহার

শ্রী ধর্মপাল দেব নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে একটি বিহার বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। বিহারটির নাম ছিল সোমপুর বিহার। অষ্টম শতাব্দীতে তিনি এটি নির্মাণ করেন। ভারতীয় উপমহাদেশে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন কাজের ফলে যত বৌদ্ধবিহার আবিষ্কৃত হয়েছে তার মধ্যে এটি আয়তনে বৃহত্তম । ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন। ১৮০৭- ১৮১২ সালের মধ্যে কোন এক সময়ে বুকানন হ্যামিল্টন পাহাড়পুর পরিদর্শন করেন। এটি ছিল পাহাড়পুরের প্রথম প্রত্নতাত্বিক পরিদর্শন। সেই সূত্র ধরে ১৮৭৯ সালে কানিংহাম এই বিশালকীর্তি আবিষ্কার করেন। 'সত্য পীরের ভিটা' সোমপুর বিহারের একটি উল্লেখযোগ্য স্থান। ইউনেস্কো ঘোষিত বাংলাদেশের ৩টি ঐতিহ্যবাহী স্থানের এটি একটি। সোমপুর মহাবিহার ১৯৯৫ সালে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত হয়।

শালবন বিহার

শালবন বিহার বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার কোটবাড়ি উপজেলায় অবস্থিত। কুমিল্লা জেলার ময়নামতি ও লালমাই পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত এই বিহারটি ৮ম শতাব্দীর শেষদিকে নির্মিত । ধারণা করা হয় যে দেবরাজ ভবদেব এই বিহার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বিহার টির আশেপাশে এক সময় ঘন শাল বন ছিল বলে এর নাম করা হয়েছিল শালবন বিহার। অনেকের মতে এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম বৌদ্ধ বিহার যা মোটেও সঠিক ধারণা নয় । শালবন বিহার একটি বর্গাকার স্থাপত্য। বিহার টির চার দিকে প্রবেশদ্বার রয়েছে। বিহার টির মধ্যখানে একটি বড় মন্দির এবং তার চারপাশে অনেক ছোট ছোট কক্ষ রয়েছে। মনে করা হয় যে ভিক্ষুরা এই কক্ষগুলিতে বাস করতেন।

বাংলাদেশের গির্জা

বাংলাদেশে খ্রিস্টান ধর্মের আগমন ষোড়শ শতাব্দীতে। পর্তুগিজদের হাত ধরে এই ধর্মের প্রচার শুরু হয়। ব্রিটিশ শাসনামলে খ্রিস্টান ধর্মের প্রসার ঘটে এবং অনেক গির্জা নির্মাণ করা হয়। বাংলাদেশের গির্জাগুলির স্থাপত্য বৈচিত্র্যপূর্ণ। কিছু গির্জা ইউরোপীয় স্থাপত্য রীতিতে নির্মিত, আবার কিছু গির্জা স্থানীয় স্থাপত্য রীতিতে নির্মিত।

নামঅবস্থান
১. আর্মেনিয়ান গির্জাআরমানিটোলা, ঢাকা
২. সেন্ট থমাস চার্চবাহাদুর শাহ পার্ক, ঢাকা
৩. হলি রোজারিও চার্চতেজগাঁও, ঢাকা
৪. সেন্ট মেরিস ক্যাথিড্রালকাকরাইল, ঢাকা
৫. সেন্ট নিকোলাস চার্চকালিগঞ্জ, গাজীপুর
৬. অক্সফোর্ড মিশন চার্চবগুড়া সড়ক, বরিশাল
৭. আওয়ার লেডি অব দ্য হলি রোজারিও ক্যাথিড্রাল চার্চপাথরঘাটা, চট্টগ্রাম
বাংলাদেশের গির্জা

সমাধিক্ষেত্র : ২য় বিশ্বযুদ্ধে মিয়ানমারে (তৎকালীন বার্মা) সংঘটিত যুদ্ধে যে ৪৫ হাজার কমনওয়েলথ সৈন্য নিহত হন তাদের স্মৃতি রক্ষার্থে মিয়ানমার, আসাম এবং বাংলাদেশে মোট ৯টি সমাধিক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশে ২টি কমনওয়েলথ সমাধিক্ষেত্র রয়েছে। যার একটি কুমিল্লার ময়নামতিতে; অন্যটি চট্টগ্রামের অবস্থিত।

বাংলাদেশের প্রাচীন দীঘি

কৃত্রিমভাবে খনন করা জলাধারকে দীঘি বলে। বাংলাদেশের প্রাচীন দীঘিগুলির ইতিহাস প্রায় দুই হাজার বছরের পুরনো। দীঘিগুলি আমাদের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অমূল্য সম্পদ।

নামঅবস্থান
রামসাগরদিনাজপুর
ধর্ম সাগর দীঘিকুমিল্লা
সাগরদীঘিটাঙ্গাইল
ইছামতি দীঘিটাঙ্গাইল
পানিহাটা দীঘিশেরপুর
বিজয় সিংহের দীঘিফেনী
আনন্দবাজার দীঘিময়নামতি, কুমিল্লা
ফয়েজ লেকচট্টগ্রাম
প্রাচীন দীঘি
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

বিশ্ব ঐতিহ্য (৩টি)

  • ষাট গম্বুজ মসজিদ (বাগেরহাট)
  • পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার (নওগাঁ)
  • সুন্দরবন (১৯৯৭)

বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য (১ টি)

  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ (৩০ অক্টোবর, ২০১৭)

অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য (৪টি)

  • বাউল সঙ্গীত
  • জামদানি
  • মঙ্গল শোভযাত্রা
  • শীতলপাটি

রামসার ঘোষিত জলাশয় (২টি)

  • টাঙ্গুয়ার হাওর
  • সুন্দরবন
Content added By

বাংলাদেশের বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার, একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন, ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন, রাঙামাটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম (বান্দরবান, সাজেক ভ্যালি), সিলেটের চা বাগান, পাথুরে নদী বিছনাকান্দি এবং ঐতিহাসিক স্থান যেমন বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ, মহাস্থানগড় ও আহসান মঞ্জিল অন্যতম ।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত বিশ্বসেরা সমুদ্রসৈকত। পাহাড়ঘেরা কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক বালুময় সমুদ্রসৈকত, এর দৈর্ঘ্য ১২০ কিলোমিটার (৭৫ মাইল)। ভ্রমণপিপাসুদের জন্য কক্সবাজার আদর্শ জায়গা কারণ, এখানে শাহপরীর দ্বীপ, কুবদিয়া বাতিঘর, ছেড়া দ্বীপ, ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক, সোনাদিয়া দ্বীপ, সেন্টমার্টিন দ্বীপ, ইনানী সমুদ্র সৈকত, মেরিন ড্রাইভ, রামু রাবার বাগান ও মহেশখালী ছাড়াও এখানে অনেক প্রাচীন স্থাপনা রয়েছে।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

সেন্টমার্টিন হলো বিশ্বের অন্যতম প্রবাল দ্বীপ। সেন্টমাটিন দ্বীপ ডাবের জন্য বিশেষভাবে বিখ্যাত। আপনি সেন্টমার্টিনে পাবেন সুমিষ্ট ডাবের পানি আর শাঁস। অপূর্ব সুন্দর সেন্টমার্টিনের অপর নাম নারিকেল জিঞ্জিরা। এর আয়তন মাত্র ৮ বর্গ কিলোমিটার।

Content added By

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলা রাঙামাটি। কাপ্তাই লেকের বুকে ভেসে থাকা ছোট্ট এর জেলা শহর আর আশপাশে সর্বত্রই রায়েছে অসংখ্য বৈচিত্র্যময় স্থান: যেমন। কাপ্তাই হ্রদ, ঝুলন্ত সেতু, রাজবন বিহার, শুভলং ও হাজাছড়া বর্ণা, সাজেক ভ্যালি, বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ও কর্ণফুলি কাগজ কল। এখানকার জায়গাগুলো বছরের বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন রূপে সাজে। কবে বর্ষার সাজ একেবারেই অন্যরূপ।

Content added By

সৃষ্টিকর্তা অপার সৌন্দর্যে সাজিয়েছেন খাগড়াছড়িকে। এখানে রয়েছে আকাশ-পাহাড়ের মিতালি, চেঙ্গি ও মাইনি উপত্যকার বিস্তীর্ণ সমতল ভূভাগ ও উপজাতীয় সংস্কৃতির বৈচিত্রতা। যেদিকেই চোখ যায় শুধু সবুজ আর সবুজ। ভ্রমণবিলাসীদের জন্য আদর্শ স্থান। খাগড়াছড়ি পুরোপুরি পাহাড়ি এলাকা। এখানে আলুটিলা রহস্যময় গুহা, রিছাং ঝরনা, মহালছড়ি হ্রদ, রামগর লেক ও চাবাগানসহ পাহাড়ি অদ্ভুত সৌন্দর্য উপভোগ করার স্থান ।

Content added By

বান্দরবান জেলার দর্শনীয় স্থান গুলোর মধ্যে বাকলাই ঝরনা, বগা লেক, বুদ্ধ ধাতু জাদি, চিম্বুক পাহাড় রেঞ্জ, চিনরি ঝিরি করনা, ফাইপি ঝরনা, জাদিপাই ঝরনা, কেওকারাডং, নাফাম, রেমাক্রি, নীলাচল, নীলগিরি, থানচি, পতংঝিরি ঝরনা, প্রান্তিক লেন, রাজবিহার, উজানিপারা বিহার, রিজুক ঝরনা, সাংগু ইত্যাদি।

Content added By

দীঘিনালা উপভোগ বিহার, সাজেক ভেলী যাওয়ার পথে অবস্থিত খুব সুন্দর এবং শান্ত স্নিগ্ধ একটি জায়গা । এর ভিতরে প্রবেশের পর দুটি মন্দির দৃশ্যমান হবে। একটিতে বুদ্ধের একটি বড় মূর্তি আছে এবং অন্যটিতে রাঙ্গামাটি বিহারের ভাঙে নামের এক স্থানীয়র দুটি মূর্তি আছে।

Content added By

বাংলাদেশের যে কয়েকটি অঞ্চলে চা-বাগান পরিলক্ষিত হয় তার মধ্যে সিলেট অন্যতম। সিলেটের চায়ের রং, স্বাদ এবং সুতে অতুলনীয়। রূপকন্যা হিসেবে সারা দেশে এক নামে পরিচিত সিলেটের জাফলং। এছাড়াও লালাখাল, তামাবিল, রাতারগুল, বিছানাকান্দি ইত্যাদি সিলেটের পর্যটন শিল্প।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

সিলেটের পর্যটন স্বর্গ। দেশের সীমান্তঘেরা পাঘরের বিছানা ও মেঘালয় পাহাড় থেকে আসা ঠাণ্ডা পানি পাশেই পাহাড়ি সবুজের সমারোহ। ছোট বড় পাথরের ওপর দিয়ে ছুটে আসা স্বচ্ছ পানির স্রোতধারা বিছানাকান্দিতে সৃষ্টি করেছে এক মনোরম পরিবেশ ।

Content added By

রাঙ্গামাটিতে এর অবস্থান হলেও যেতে হয় খাগড়াছড়ি হয়ে। খাগড়াছড়ি শহর থেকে দীঘিনালা, তারপর বাঘাইহাট হয়ে সাজেক। করাটাই অপূর্ব, আশপাশের দৃশ্যও মনোরম। পথের দুই পাশে লাল-সবুজ রঙের বাড়ি ও পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে জমে উঠে মেঘের মেলা ।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

রংরাং পাহাড়ের চূড়ায় না উঠলে রাঙামাটির সৌন্দর্য অপূর্ণ থেকে যাবে। পাহাড়ের কোল ঘেঁষে বয়ে গেছে মোহনীয় কর্ণফুলী। বরকল ও জুরাছড়ি উপজেলায় এর অবস্থান। চারপাশের এমন সব সৌন্দর্য চোখের সামনে চলে আসবে যদি রংরাং চূড়ায় উঠা যায়।

Content added By

বান্দরবানের মংপ্রু পাড়ায় ঝরনাটির অবস্থান। দুই বিশাল পাহাড়কে পাহারায় রেখে পাথুরে জলের ধারা বয়ে দিচ্ছে এই ঝরনা। পাহাড়ের মেয়ে উঠতেই বদলে যাবে দৃশ্যপট। ঝরনাগুলো পুরো এলাকাকে ছড়িয়ে দিচ্ছে সাদাটে কুয়াশার চাদরে।

Content added By

নীলগিরি দেশের সর্বোচ্চ পর্যটন কেন্দ্র। বান্দরবানের থানচি উপজেলায় এর অবস্থান। মেঘের সঙ্গে মিতালি করে এখানে মেঘ ছোঁয়ার সুযোগ রয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে নীলগিরিতে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অপরূপ।

নিলাচল ও শুভ্রনীলা বান্দরবান জেলার প্রবেশমুখেই অবস্থিত। ১৭০০ ফুট উচ্চতার এই পর্যটনস্থানগুলোতে সবসময়ই মেঘের খেলা চলে। এ পাহাড়ের ওপর নির্মিত এ দুটি পর্যটনকেন্দ্র থেকে পার্শ্ববর্তী এলাকার দৃশ্য দেখতে খুবই মনোরম।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিলের নাম চলনবিল। পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় এটি। বর্ষার সুন্দরী বলা চলে ৩ জেলাজুড়ে (পাবনা- নাটোর, সিরাজগঞ্জ) বিস্তৃত এ বিল। বর্ষায় কানায় কানায় পানিতে পরিপূর্ণ হয়ে রূপের পসরা সাজিয়ে বসে ৮০০ বর্গমাইলের এই বৃহৎ বিল।

Content added By

ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন বগুড়ায় অবস্থিত। পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী ছিল বর্তমান বগুড়া মহাস্থানগড়। মৌর্য, গুপ্ত, পাল এবং সেন আমলেও বহুড়ার বিশেষ প্রশাসনিক গুরুত্ব ছিল। করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে এটির অবস্থান।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

রাঙামাটি জেলার সর্বাপেক্ষা আকর্ষণীয় জায়গাগুলোর মধ্যে শুভলং ঝরনা একটি। এই ঝরনা দেখতে সর্বক্ষণ পর্যটকের ভিড় লেগেই থাকে। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে এসে ঝরনাটি পতিত হয়েছে কাপ্তাই লেকে। শুভলংয়ের কাছে যেতে বাধা নেই, ফলে ঝর্ণার রূপ মাধুর্য প্রাণভরে উপভোগ করা যায়।

Content added By

ঘন জঙ্গলের বুক চিঁড়ে চলে গেছে পাহাড়ি রাস্তা। দুই পাশে সারি সারি গাছ। তার মধ্য দিয়ে মধ্যদুপুর কিংবা সোনাঝরা সকালঅথবা বিকালের নরম আলো লাউয়াছড়াকে করেছে আরও মোহনীয়। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত এই বন।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

বাংলার দার্জিলিং খ্যাত দেশের তৃতীয় বৃহত্তম পর্বত। বান্দরবানের চিম্বুক সারা দেশেই পরিচিত নাম। চিম্বুক যাওয়ার রাস্তার দুই পাশের পাহাড়ি দৃশ্য ও সাঙ্গু নদীর দৃশ্য খুবই মনোরম। পাহাড়ের উপর দাঁড়িয়ে দেখা যাবে মেঘের ভেলা সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে ২৫০০ ফুট উঁচু এ পাহাড়।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

ষাট গম্বুজ মসজিদ নামে পরিচিত ষাট গম্বুজ মসজিদ, এটি বৃহত্তম মসজিদটি সুলতানি আমলে নির্মিত হয়। খান জাহান আলি (উলুঘ খান) এটি নির্মাণ করেন ১৫০০ শতাব্দীতে। মসজিদটির মোট গম্বুজ সংখ্যা ৮১ টি ।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগরকন্যা কুয়াকাটা। কুয়াকাটা দক্ষিণ এশিয়ায় একটি মাত্র সমুদ্রসৈকত যেখানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করা যায়। সমুদ্রের পেট চিরে সূর্যোদয় হওয়া এবং সমুদ্রের বক্ষে সূর্যকে হারিয়ে যাওয়ার দৃশ্য অবলোকন করা মসন্দেহে দারুণ ব্যাপার। এছাড়াও তার আইল্যান্ড, শুঁটকি পল্লী, গঙ্গামতির জঙ্গল, ফাতরার বন, সীমা বৌদ্ধ মন্দিরসহ ইত্যাদি স্পট।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

বাংলাদেশের অংশ ৬,০১৭ বর্গ কি.মি.আয়তনের সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ, দীর্ঘতম লবণাক্ত জলাভূমি এবং জীব বৈচিত্রে সমৃদ্ধ একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ইকোসিস্টেম। এখানে ৩৩৪ প্রজাতির উদ্ভিদ এবং ৩৭৫ প্রজাতির বন্যপ্রাণী বিদ্যমান, যার মধ্যে আছে ৩৫ প্রজাতির সরীসৃপ, ৩১৫ প্রজাতির পাখি, ৪২ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং বিশ্ববিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার। প্রধান সরীসৃপ জাতিগুলোর মধ্যে আছে নোনা পানির কুমির, অজগর, গোখরা, গুইসাপ, সামুদ্রিক সাপ, গিরগিটি, কচ্ছপ এবং অন্যান্য প্রায় ৩০ প্রজাতির সাপ সুন্দরবনে পাওয়া যায়। জলাভূমি হিসাবে রামসার এলাকার সকল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকায় সুন্দরবনকে ১৯৯২ সালে ৫৬০ তম রামসার এলাকা হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো সুন্দরবনকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করে।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

কক্সবাজারের মহেশখালী থেকে খুব বেশি দূরে নয় সোনাদিয়া দ্বীপ। ম্যানগ্রোভ ও উপকূলীয় বনের সমন্বয়ে গঠিত এই দ্বীপটি। সাগরের গাঢ় নীল জল, লাল কেয়া বন, সামুদ্রিক পাখি সব মিলিয়ে এক ধরনের রোমাঞ্চিত পরিবেশ।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

বিরিশিরি বাংলাদেশের নেত্রকোনা জেলার ঐতিহ্যবাহী একটি গ্রাম। এটি এক অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি। বিরিশিরির মূল আকর্ষণ বিজয়পুর চীনামাটির খনি। সাদা মাটি পানির রঙকে আরও বৈচিত্র্যময় করে তোলে।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

নয়নাভিরাম সৌন্দর্যে ভরপুর বাংলাদেশের দক্ষিণে পর্যটন কেন্দ্র নোয়াখালী হাতিয়ার নিঝুমদ্বীপ। শুধু সৌন্দয্যেই নয় প্রাকৃতিক সম্পদেও রয়েছে এর বিশাল সম্ভাবনা । বঙ্গোপসাগরের কোলঘেঁষে জেগে ওঠা দ্বীপটির একদিকে বঙ্গোপসাগরের উত্তাল তরঙ্গ, অন্যদিকে ছুটে আসা হিমেল হাওয়া আর সবুজের সুবিশাল ক্যানভাস দ্বীপটিকে দিয়েছে ভিন্ন এক রূপ বৈচিত্র্য যেন চিত্রশিল্পী সুনিপুণভাবে গড়েছেন জল রং তুলিতে। অপার সম্ভাবনার নিঝুমদ্বীপ নোয়াখালী জেলার সর্বদক্ষিণের উপজেলা হাতিয়া। হাতিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে বঙ্গোপসাগরের কোলে জেগে উঠেছে চিরসবুজের দ্বীপ নিঝুমদ্বীপ। চারদিকে সবুজের সমারোহ, পাছে গাছে পাখিদের সুমধুর গান, থেকে থেকে মাঝিদের কণ্ঠে গেয়ে ওঠা গান, আর সোনার হরিণ সম্পদে পরিপূর্ণ ভাণ্ডার এই নিঝুমদ্বীপ।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

হাতিরঝিল বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার একটি এলাকা যা জনসাধারণের চলাচলের জন্য তৈরি করা হয়। ২০১৩ সালের ২ জানুয়ারি এ প্রকল্প এলাকাটি উদ্বোধন ও জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হয়। এ প্রকল্প চালুর ফলে ঢাকার তেজগাঁও, গুলশান, বাড্ডা, রামপুরা, মৌচাক, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার ও মগবাজার এলাকার বাসিন্দাসহ এ পথ দিয়ে চলাচলকারী যাত্রীরা বিশেষ সুবিধা পাচ্ছেন। হাতিরঝিল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন ও তদারকি করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর 'স্পেশাল ওয়ার্কস অরগানাইজেশন'। এ প্রকল্পের অন্যতম মূল লক্ষ্য হচ্ছে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, জলাবদ্ধতা ও বন্যা প্রতিরোধ, ময়লা পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, রাজধানীর যানজট নিরসন এবং শ্রীবৃদ্ধি করা। ভিত্তি স্থপতি বৃন্দ লিমিটেড-এর স্থপতি ইকবাল হাবিব (টিম লিডার), এহসান খান ও ইশতিয়াক জহির এই প্রকল্পের স্থাপত্য পরিকল্পনার ছিলেন। এটি মূলত নড়াই নদী-প্রবাহেরর অংশ।

ইতিহাস

ভাওয়াল রাজ্যের হাতিরঝিলসহ তেজগাঁও এলাকায় অনেক ভূসম্পত্তি ছিল। এস্টেটের হাতির পাল এখানকার ঝিলে স্নান করতে বা পানি খেতে বিচরণ করত বলে কালের পরিক্রমায় এর নাম হাতিরঝিল হয়।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

Promotion

Are you sure to start over?

Loading...